রাবির বধ্যভূমিতে উদ্ধার হওয়া পরিত্যক্ত মর্টারশেলটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) এর বধ্যভূমিতে উদ্ধার হওয়া সেই পরিত্যক্ত মর্টারশেলটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
রাবির বধ্যভূমিতে উদ্ধার হওয়া পরিত্যক্ত মর্টারশেলটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে
রাবির বধ্যভূমিতে উদ্ধার হওয়া পরিত্যক্ত মর্টারশেলটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে
বুধবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হল সংলগ্ন এলাকায় সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী একটি দল পরিত্যক্ত মর্টারশেলটি নিষ্ক্রিয় করে।

বগুড়া ক্যান্টনমেন্টের ক্যাপ্টেন মো. মিনহাজ বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের নেতৃত্ব দেন।

গত মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরচন্ডী এলাকার মাছচাষি শরীফুল ইসলাম পুকুরে মাছকে খাবার দেওয়ার সময় পরিত্যক্ত মর্টারশেল দেখতে পান।

পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ও র‍্যাব-৫ এটিকে ঘিরে রাখে। মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হল পাকিস্তানি বাহিনীর ক্যাম্প ও টর্চার সেল ছিলো।

সেখানে নির্যাতন করে হাজার হাজার বাঙালিকে হত্যা করে বধ্যভূমি এলাকায় ফেলে রাখা হয়। ধারণা করা হচ্ছে এটি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার অবিস্ফোরিত মর্টার শেল।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) এর প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, দুপুরে সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল পরিত্যক্ত মর্টারশেলটির বিস্ফোরণ ঘটায়। এটি অনেক পুরনো হলেও সক্রিয় ছিলো।

মুক্তিযুদ্ধের সময় শহীদ জোহা হলে পাকিস্তানি সেনাদের শক্ত ঘাঁটি ছিল। নিষ্ক্রিয় করা মর্টারটি সম্ভবত যুদ্ধের সময় ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানির হানাদার বাহিনী ক্যাম্প ছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ শামসুজ্জোহা হল।

মুক্তিযোদ্ধাদের মতে এটি রাজশাহী বিভাগের সবচেয়ে বড় ক্যাম্প ও নির্যাতন ক্যাম্প ছিল।

মুক্তিযুদ্ধে দেশ স্বাধীনের পর জোহা হলের পেছন থেকে কয়েক হাজার মাথার খুলি, অস্ত্র, বারুদ,মর্টারশেল উদ্ধার করা হয়।

সম্প্রতি হলের পূর্বপাশে পুকুর খননের কাজ শুরু হয়েছে। খননের মাটি দিয়ে পাশ্ববর্তী পুকুরে পাড় বাধানো হয়েছে।

অনেকের ধারণা মাটির সঙ্গে পরিত্যক্ত মর্টারশেলটি পুকুরে চলে গিয়েছিল।

বে অব বেঙ্গল নিউজ / Bay of bengal news