শান্তর সেঞ্চুরিতে প্রথমদিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩০২

পা্ল্লেকেলেতে প্রথমদিনে চমৎকার শুরু করেছেন তামিম ইকবাল, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্তরা। স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বোলারদেকে রীতিমত দাপিয়ে বেড়িয়েছেন তারা। তাতেই টেস্টের প্রথম দিন শেষে রানের পাহাড় গড়ল বাংলাদেশ।২ উইকেটে ৩০২ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনে খেলতে নামবে টাইগাররা। উইকেটে আছেন সেঞ্চুরিয়ান শান্ত, হাফ সেঞ্চুরিয়ান মুমিনুল।

শান্তর সেঞ্চুরিতে প্রথমদিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩০২

এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চলতি দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটির প্রথম দিনে বুধবার (২১ এপ্রিল) পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাটিং নেয় বাংলাদেশ।
কিন্তু দলীয় ৮ রানেই বিদায় নেন ওপেনার সাইফ হাসান। লঙ্কান পেসার বিশ্ব ফার্নান্দোর করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে এলবিডবলিউর ফাঁদে পড়েন সাইফ। যদিও শুরুতে নট আউটের ইশারা করেন ফিল্ড আম্পায়ার। কিছুক্ষণ দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগার পর রিভিও নেন স্বাগতিক অধিনায়ক দিমুথ করুণারত্নে। আর তাতে সিদ্ধান্ত আউট আসে। সাইফ শূণ্য রানেই আউট হন।

শুরুর ধাক্কা সামাল দেন তামিম ও শান্ত। তামিম তো রীতিমত ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট করে ৫৩ বলে তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারে ২৯তম ফিফটি। এর মধ্যে ৪০ রানই আসে বাউন্ডারি থেকে।ফিফটির কাছাকাছি গিয়ে নিজেকে কিছুটা সামলে নেন এই বাঁহাতি ওপেনার।

তামিম ফিফটির দেখা পাওয়ার পর রানের গতি কিছুটা কমে আসে। দ্বিতীয় সেশনে লঙ্কান বোলাররাও গুড লেন্থ খুঁজে পান। এরমধ্যেও ১২০ বলে ৭ চারে ফিফটি তুলে নেন শান্ত। এটি তার ক্যারিয়ারের মাত্র দ্বিতীয় টেস্ট ফিফটি।অন্যপ্রান্তে তামিম ছুটছিলেন সেঞ্চুরির দিকে। দুজনে ১৪৪ রানের দারুণ জুটিও গড়েন।

কিন্তু বিশ্ব ফার্নান্দোর বলে স্লিপে থাকা থিরিমান্নের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে মাত্র ১০ রানের ব্যবধানে সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হন তামিম। ১০১ বল খেলে এই ইনিংসটি সাজানোর পথে ১৫টি বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন এই দেশসেরা এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। তার বিদায়ের পর ক্রিজে আসা মুমিনুল ধীরেসুস্থে ব্যাটিং করে শান্তকে দারুণ সঙ্গ দেন। এই জুটিতে ৩১১ বলে আসে ১৫০ রান।

এরইমধ্যে টেস্টে দুর্দান্ত এক অভিষেক সেঞ্চুরি পেয়ে যান শান্ত। ২৩৫ বলে ১২ চার ও এক ছক্কায় পাওয়া এই সেঞ্চুরি নাজমুলের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ২৮৮ বলে ১৪টি চার ও এক ছক্কায ১২৬ রানে অপরাজিত থাকেন।

১১৭ বলে হাফসেঞ্চুরি করা মুমিনুলও দারুণ খেলেছেন। তিনি ১৫০ বল মোকাবিলা করে ৬টি চারের সাহায্যে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন।

লঙ্কানদের মধ্যে একমাত্র সফল বোলার ছিলেন বিশ্ব ফার্নান্দো। তিনি ২টি উইকেটই তুলে নেন।